সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আঃ কাঃ মোঃ আশরাফুজ্জামান নিয়োগ পেলেন Logo ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে আধুনিক এনডোস্কপি ও কোলনোস্কপি পরীক্ষা চালু Logo ফরিদগঞ্জে সমাজসেবক ও সাবেক গ্রাম সরকার মো. খাজে আহমাদ মিয়াজির ইন্তেকাল Logo চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান Logo ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যের আহ্বান: জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্কের টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনে যাচ্ছে ইডিসিএল Logo সুস্থ জীবন ও স্বাবলম্বিতার বার্তা নিয়ে “ন্যাচারাল ভারটেক্স”-এর কর্মশালা

ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দারের দিক নির্দেশনায় আধুনিক আঙ্গিকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বর্তমান রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি ডক্টর হাসান উল-হায়দার। তাঁর যোগদানের পর থেকেই ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে থাকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের সার্বিক রুপ। অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে সেবার মান সবকিছুতেই এসেছে আধুনিক পরিবর্তন। ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। ৫ একর জুড়ে হাসপাতালটি নির্মিত হলেও সেবার মান ছিলো অনুন্নত। রোগীদের ভোগান্তিও কম ছিলো না। কিন্তু ড. হাসান উল-হায়দারের পরিচালনা এবং দিক নির্দেশনায় নতুন রুপে সেজেছে হাসপাতালটি। মানসম্মত সেবা এবং দৃষ্টিনন্দন ভবন দুয়ে মিলে আধুনিক হাসপাতালে পরিরনত হয়েছে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, দক্ষ ডাক্তার, নার্স, রোগীদের জন্য পরিচ্ছন্ন বেড, আউটডোর,অপারেশন থিয়েটার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা সব কিছুই ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দারের বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনার সুফল। শুধুমাত্র রোগীদের সুবিধা নয়, রোগীদের সাথে থাকা স্বজন এবং দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে খাবারের ক্যান্টিন এবং নামাজের জন্য মসজিদ। রয়েছে পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তাদের জন্য সম্পূর্ন ফ্রি চিকিৎসা। বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা কালেও থেমে নেই কার্যক্রম বরং নতুন উদ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছে হাসপাতালটি। সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা হাসপাতালের সেবার মান এবং মনোরম পরিবেশে খুবই সন্তুষ্ট। হাসপাতালের কর্মরত একজন প্রকৌশলী বলেন, ডিআইজি হাসান উল-হায়দারের দিক নির্দেশনায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালকে সেবা এবং গুনগত মানের দিক দিয়ে আধুনিক হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলতে স্যারের ভূমিকা অপরিসীম। ডিআইজি স্যারের সততা, নিষ্ঠা এবং কর্ম দক্ষতায় প্রতিনিয়ত আরো ইন্নত হচ্ছে হাসপাতালটি। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সকল বিভাগে সেবা প্রদান করা হলেও সেবার মান এবং পরিধি বাড়াতে এখনো কাজ অব্যাহত রয়েছে। ড. হাসান উল-হায়দারের দক্ষ পরিচালনা এবং চলমান কাজের ধারা অব্যাহত থাকলে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালটি আধুনিকতার রোল মডেল হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চিকিৎসাধীন একজন পুলিশ সদস্য বলেন, রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ড. হাসান উল-হায়দার স্যার পরিচালক হিসেবে যোগদান করার পর হাসপাতালের সেবার মান এবং পরিবেশের আধুনিকায়ন চোঁখে পড়ার মত। সম্পূর্ন নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে মনোরম পরিবেশে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সেবার গুনগত মান নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সততা, নিষ্ঠা, ন্যায়পরায়নতা এবং দায়িত্বের প্রতি ভালোবাসার কারনে ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দার স্যার শুধুমাত্র রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের নয় বরং পুরো পুলিশ বাহিনীর গর্ব।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান

ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দারের দিক নির্দেশনায় আধুনিক আঙ্গিকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বর্তমান রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি ডক্টর হাসান উল-হায়দার। তাঁর যোগদানের পর থেকেই ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে থাকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের সার্বিক রুপ। অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে সেবার মান সবকিছুতেই এসেছে আধুনিক পরিবর্তন। ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। ৫ একর জুড়ে হাসপাতালটি নির্মিত হলেও সেবার মান ছিলো অনুন্নত। রোগীদের ভোগান্তিও কম ছিলো না। কিন্তু ড. হাসান উল-হায়দারের পরিচালনা এবং দিক নির্দেশনায় নতুন রুপে সেজেছে হাসপাতালটি। মানসম্মত সেবা এবং দৃষ্টিনন্দন ভবন দুয়ে মিলে আধুনিক হাসপাতালে পরিরনত হয়েছে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, দক্ষ ডাক্তার, নার্স, রোগীদের জন্য পরিচ্ছন্ন বেড, আউটডোর,অপারেশন থিয়েটার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা সব কিছুই ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দারের বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনার সুফল। শুধুমাত্র রোগীদের সুবিধা নয়, রোগীদের সাথে থাকা স্বজন এবং দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে খাবারের ক্যান্টিন এবং নামাজের জন্য মসজিদ। রয়েছে পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তাদের জন্য সম্পূর্ন ফ্রি চিকিৎসা। বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা কালেও থেমে নেই কার্যক্রম বরং নতুন উদ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছে হাসপাতালটি। সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা হাসপাতালের সেবার মান এবং মনোরম পরিবেশে খুবই সন্তুষ্ট। হাসপাতালের কর্মরত একজন প্রকৌশলী বলেন, ডিআইজি হাসান উল-হায়দারের দিক নির্দেশনায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালকে সেবা এবং গুনগত মানের দিক দিয়ে আধুনিক হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলতে স্যারের ভূমিকা অপরিসীম। ডিআইজি স্যারের সততা, নিষ্ঠা এবং কর্ম দক্ষতায় প্রতিনিয়ত আরো ইন্নত হচ্ছে হাসপাতালটি। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সকল বিভাগে সেবা প্রদান করা হলেও সেবার মান এবং পরিধি বাড়াতে এখনো কাজ অব্যাহত রয়েছে। ড. হাসান উল-হায়দারের দক্ষ পরিচালনা এবং চলমান কাজের ধারা অব্যাহত থাকলে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালটি আধুনিকতার রোল মডেল হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চিকিৎসাধীন একজন পুলিশ সদস্য বলেন, রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ড. হাসান উল-হায়দার স্যার পরিচালক হিসেবে যোগদান করার পর হাসপাতালের সেবার মান এবং পরিবেশের আধুনিকায়ন চোঁখে পড়ার মত। সম্পূর্ন নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে মনোরম পরিবেশে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সেবার গুনগত মান নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সততা, নিষ্ঠা, ন্যায়পরায়নতা এবং দায়িত্বের প্রতি ভালোবাসার কারনে ডিআইজি ড. হাসান উল-হায়দার স্যার শুধুমাত্র রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের নয় বরং পুরো পুলিশ বাহিনীর গর্ব।