সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় মে মাসে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’: থাকছে ১২ সেশন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ Logo মুন্সীরহাট জি এন্ড এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo এসেনসিয়াল ড্রাগসে শ্রমিক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা Logo এসএমই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে উদ্যোক্তা সেবা গ্রহণে আহবান Logo মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতৃবৃন্দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়সভা Logo পহেলা বৈশাখে এন.পি. মিনি ইংলিশ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ ১লা বৈশাখ, মঙ্গলবার “ বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ “ উদযাপন করতে যাচ্ছে Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হলেন যারা Logo দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

বিলুপ্তির পথে কলা, বললেন বিজ্ঞানীরা!

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮
  • ৩৬২ বার পড়া হয়েছে
সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে, কলার মতো সহজলভ্য ফলটি এখন বিলুপ্তির পথে। বিজ্ঞানীরা সতর্কতা জারি করে জানিয়েছেন যে, গ্রীষ্ম প্রধান দেশগুলিতে একটি ভয়াবহ রোগ শেষ করে দিতে বসেছে বিশ্বের সব শস্য। এই রোগের নাম ‘পানামা’। ফাংগাস বাহিত এক ধরনের সংক্রমণ, যা ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য-প্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাংশে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রোগ খুব শীঘ্রই দক্ষিণ আমেরিকার ক্যাভেন্ডিশ কলাকে ধ্বংস করে দেবে। বিশ্বজুড়ে যেসব কলা মানুষ সবচেয়ে বেশি খায়, সেই প্রজাতিকেই ক্যাভেন্ডিশ কলা বলা হয়। এই প্রজাতির কলাতেই সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে এই পানামা রোগ। যার জেরে পুরো চাষের জমিই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কলা গাছকে এই রোগ থেকে প্রতিরোধ করতে বিরল মাদাগাস্কার কলা গাছকে সংরক্ষণ করতে হবে। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই এক ধরনের হাইব্রিড কলা উত্পাদনের কাজ শুরু করেছেন। যা খেতেও সুস্বাদু হবে, একই সঙ্গে কলার পানামা রোগ থেকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতাসীন হবে।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে মাত্র পাঁচটি মাদাগাস্কার কলা গাছ বেঁচে রয়েছে। রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের সিনিয়র অফিসার রিচার্ড অ্যালেনের মতে, ‘এই মাদাগাস্কার প্রজাতিটির মধ্যে প্রকৃতিগত ভাবেই রোগ প্রতিরোধ করার সহ্য শক্তি রয়েছে। সম্ভবত এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জিনগত সুবিধা রয়েছে এই গাছে।’

তবে কি দোকানে যে কলা কিনতে পাওয়া যাচ্ছে তা খেলে আমাদেরও সমস্যা হতে পারে? সে বিষয়ে বিশদভাবে এখনই কোন মন্তব্য না করলেও, কলা যে বিলুপ্তির পথে, তা অনেকটাই স্পষ্ট করেছেন বিজ্ঞানীরা। আফ্রিকার মাদাগাস্কার গাছ ও তার বীজ সংরক্ষণ করা গেলে, গাছের জিনগত বৈশিষ্ট্য বুঝা সম্ভব হবে। ফলে ভবিষ্যতে কলার ভয়ানক সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত

বিলুপ্তির পথে কলা, বললেন বিজ্ঞানীরা!

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮
সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে, কলার মতো সহজলভ্য ফলটি এখন বিলুপ্তির পথে। বিজ্ঞানীরা সতর্কতা জারি করে জানিয়েছেন যে, গ্রীষ্ম প্রধান দেশগুলিতে একটি ভয়াবহ রোগ শেষ করে দিতে বসেছে বিশ্বের সব শস্য। এই রোগের নাম ‘পানামা’। ফাংগাস বাহিত এক ধরনের সংক্রমণ, যা ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য-প্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাংশে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রোগ খুব শীঘ্রই দক্ষিণ আমেরিকার ক্যাভেন্ডিশ কলাকে ধ্বংস করে দেবে। বিশ্বজুড়ে যেসব কলা মানুষ সবচেয়ে বেশি খায়, সেই প্রজাতিকেই ক্যাভেন্ডিশ কলা বলা হয়। এই প্রজাতির কলাতেই সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে এই পানামা রোগ। যার জেরে পুরো চাষের জমিই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কলা গাছকে এই রোগ থেকে প্রতিরোধ করতে বিরল মাদাগাস্কার কলা গাছকে সংরক্ষণ করতে হবে। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই এক ধরনের হাইব্রিড কলা উত্পাদনের কাজ শুরু করেছেন। যা খেতেও সুস্বাদু হবে, একই সঙ্গে কলার পানামা রোগ থেকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতাসীন হবে।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে মাত্র পাঁচটি মাদাগাস্কার কলা গাছ বেঁচে রয়েছে। রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের সিনিয়র অফিসার রিচার্ড অ্যালেনের মতে, ‘এই মাদাগাস্কার প্রজাতিটির মধ্যে প্রকৃতিগত ভাবেই রোগ প্রতিরোধ করার সহ্য শক্তি রয়েছে। সম্ভবত এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জিনগত সুবিধা রয়েছে এই গাছে।’

তবে কি দোকানে যে কলা কিনতে পাওয়া যাচ্ছে তা খেলে আমাদেরও সমস্যা হতে পারে? সে বিষয়ে বিশদভাবে এখনই কোন মন্তব্য না করলেও, কলা যে বিলুপ্তির পথে, তা অনেকটাই স্পষ্ট করেছেন বিজ্ঞানীরা। আফ্রিকার মাদাগাস্কার গাছ ও তার বীজ সংরক্ষণ করা গেলে, গাছের জিনগত বৈশিষ্ট্য বুঝা সম্ভব হবে। ফলে ভবিষ্যতে কলার ভয়ানক সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।