সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আঃ কাঃ মোঃ আশরাফুজ্জামান নিয়োগ পেলেন Logo ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে আধুনিক এনডোস্কপি ও কোলনোস্কপি পরীক্ষা চালু Logo ফরিদগঞ্জে সমাজসেবক ও সাবেক গ্রাম সরকার মো. খাজে আহমাদ মিয়াজির ইন্তেকাল Logo চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান Logo ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যের আহ্বান: জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্কের টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনে যাচ্ছে ইডিসিএল Logo সুস্থ জীবন ও স্বাবলম্বিতার বার্তা নিয়ে “ন্যাচারাল ভারটেক্স”-এর কর্মশালা

ফেনীতে এক মাসের পাসপোর্ট তিন মাসেও মিলছেনা কারিগরি ক্রুটিতে আটকে আছে প্রায় ৭ হাজার পাসপোর্ট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

 

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্স অফিসে এক মাসে ডেলিভারীর জায়গায় তিন মাসেও মিলছেনা আবেদনকারীদের পাসপোর্ট। বই সংকট, প্রধান কার্যালয়ের প্রিন্টার মেশিন নস্টসহ কারিগরি বিভিন্ন সমস্যায় এখানকার প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার আবেদনকারীর পাসপোর্ট ডেলিভারী দেয়া যাচ্ছেনা। প্রবাসী উদ্যোশীত এ জেলায় আবেদনের নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট হাতে না পেয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন বিদেশগামী যুবক, দেশ ফেরত প্রবাসী ও চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছুক যাত্রীরা। তবে জরুরী পাসপোর্ট আবেদনকারীদের বই প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত হাতে দিতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ফেনীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন।
ট্রাভেল্স এজেন্সি, পাসপোর্ট অফিস ও আবেদনকারী সূত্রে জানা যায়, পাসপোর্ট ও বহিরাগমন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে প্রিন্টার মেশিন নষ্টের কারণে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের শুরু থেকে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ডিলিভারীতে সময় ক্ষেপন শুরু হয়। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকায় বর্তমানে এ কার্যালয়ে অন্তত ৭ হাজার পাসপোর্টের আবেদনকারীর বই আটকা পড়ে। ঢাকা থেকে এসব বই প্রিন্টিং হয়ে না আসার কারনে নির্ধারিত সময়ের দুই মাস পরও গ্রাহকরা পাসপোর্টের বই ডেলিভারী পাচ্ছেনা। জরুরী প্রয়োজন হওয়ায় পাসপোর্ট নিতে আবেদনকারীরা প্রতিদিন এ অফিসে ধর্ণা দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। এতে করে একদিকে বাড়ছে বিড়ম্বনা অন্য দিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
জেলা ট্রাভেল্স এজেন্সি মালিক সমিতির একটি সূত্র জানায়, সাধারণ ভিত্তিতে তিন হাজার ৪৫০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত ২১ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও বর্তমানে ৯০ থেকে ১০০ কর্মদিবসেও তা হাতে পাওয়া যাচ্ছেনা। আবার জরুরী ভিত্তিতে ৬ হাজার ৯০০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার কথা থাকলেও তা পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ কর্মদিবস পরে। তাছাড়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ভিসা সহজিকরণ করায় সারাদেশে এক সাথে পাসপোর্টের আবেদন বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে প্রক্রিয়া শেষ হয়ে আসতে সময় বেশি লাগছে। এমতাবস্থায় নানা ভাবে পাসপোর্ট আবেদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সর্বাধিক বিড়ম্বনায় পড়ছে বিদেশ ফেরত প্রবাসীরা, যারা দেশে এসে তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছে। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় অনেকের পুণ:রায় প্রবাসে যাওয়াটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ট্রাভেল্স এজেন্সির মালিকরাও বিপাকে রয়েছে।
পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারী বিবি মরিয়ম জানায়, তিনি তার মাকে ভারতে জরুরী চিকিৎসার জন্য নিতে মে মাসের ২০ তারিখে পরিবারের ৩ সদসস্যের জন্য পাসপোর্টের আবেদন করেন। নিয়ম মোতাবেক জুন মাসের ২০ তারিখের আগেই সকল প্রক্রিয়া শেষে পাসপোর্টগুলো হাতে পাওয়ার কথা। কিন্তুু এখন পর্যন্ত পাসপোর্টগুলো ডেলিভারী দিতে পারেনি ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। ঠিক কবে ডেলিভারী দিতে পারবে সেটাও বলতে পারছেনা কর্তৃপক্ষ। এমতাবস্থায় তার মায়ের চিকিৎসা নিয়ে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন পরিবারের সকল সদস্য।
ওমর ফারুক নামে প্রবাস ফেরত এক যুবক জানান, তিনি সময় স্বল্পতার কারণে ৬ হাজার ৯শ টাকা দিতে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্টের জন্য জরুরী ভিত্তিতে আবেদন করেন। নিয়ম মোতাবেক এটি ৭দিনের মধ্যে হাতে পাওয়ার কথা। কিন্তুু ২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও তিনি আবেদনকৃত পাসপোর্টটি পাননি। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে প্রতি একদিন পরপর তিনি পাসপোর্ট অফিসে এসে খবরা খবর নিতে যোগাযোগ করছেন। এতে একদিকে সে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অন্য দিকে প্রতিদিন যাতায়াতে তার বাড়ি খরচ ও সময় নস্ট হচ্ছে।
ফেনী জেলা ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আলী আনসারী জানান, দেশের সব জেলার চেয়ে ফেনীর মানুষ সবচেয়ে বেশি দেশের বাহিরে আয়রোজগারের জন্য অবস্থান করছেন। তারা দেশে ছুটিতে এসে পাসপোর্ট নবায়ন (রিইস্যু) করতে আবেদন দিলে তিন থেকে চার মাসেও পাসপোর্ট ডেলিভারি পাচ্ছেন না। অনেকের ছুটির সময় চলে গেছে তারপরও পাসপোর্ট ডেলিভারি পায়নি। তাদের চাকরি হারানোরও উপক্রম হচ্ছে। এদিকে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা যথাসময়ে আবেদন অনুমোদন না দেওয়ার কারণেও পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবুল হোসেন জানান, গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকেই সংকটের শুরু হয়েছে। অসুস্থ, হজ্জযাত্রী ও জরুরী পাসপোর্ট আবেদনকারীদের তালিকা করে দ্রুত পাসপোর্ট ডেলিভারী দিতে ঢাকায় যোগাযোগ করা হচ্ছে। বর্তমানে ফেনী অফিসে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার আবেদনকারীকে যথাসময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারী দেয়া যাচ্ছেনা বলে তিনি দু:খ প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান

ফেনীতে এক মাসের পাসপোর্ট তিন মাসেও মিলছেনা কারিগরি ক্রুটিতে আটকে আছে প্রায় ৭ হাজার পাসপোর্ট

আপডেট সময় : ১০:৫৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮

 

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্স অফিসে এক মাসে ডেলিভারীর জায়গায় তিন মাসেও মিলছেনা আবেদনকারীদের পাসপোর্ট। বই সংকট, প্রধান কার্যালয়ের প্রিন্টার মেশিন নস্টসহ কারিগরি বিভিন্ন সমস্যায় এখানকার প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার আবেদনকারীর পাসপোর্ট ডেলিভারী দেয়া যাচ্ছেনা। প্রবাসী উদ্যোশীত এ জেলায় আবেদনের নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট হাতে না পেয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন বিদেশগামী যুবক, দেশ ফেরত প্রবাসী ও চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছুক যাত্রীরা। তবে জরুরী পাসপোর্ট আবেদনকারীদের বই প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত হাতে দিতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ফেনীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন।
ট্রাভেল্স এজেন্সি, পাসপোর্ট অফিস ও আবেদনকারী সূত্রে জানা যায়, পাসপোর্ট ও বহিরাগমন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে প্রিন্টার মেশিন নষ্টের কারণে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের শুরু থেকে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ডিলিভারীতে সময় ক্ষেপন শুরু হয়। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকায় বর্তমানে এ কার্যালয়ে অন্তত ৭ হাজার পাসপোর্টের আবেদনকারীর বই আটকা পড়ে। ঢাকা থেকে এসব বই প্রিন্টিং হয়ে না আসার কারনে নির্ধারিত সময়ের দুই মাস পরও গ্রাহকরা পাসপোর্টের বই ডেলিভারী পাচ্ছেনা। জরুরী প্রয়োজন হওয়ায় পাসপোর্ট নিতে আবেদনকারীরা প্রতিদিন এ অফিসে ধর্ণা দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। এতে করে একদিকে বাড়ছে বিড়ম্বনা অন্য দিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
জেলা ট্রাভেল্স এজেন্সি মালিক সমিতির একটি সূত্র জানায়, সাধারণ ভিত্তিতে তিন হাজার ৪৫০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত ২১ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও বর্তমানে ৯০ থেকে ১০০ কর্মদিবসেও তা হাতে পাওয়া যাচ্ছেনা। আবার জরুরী ভিত্তিতে ৬ হাজার ৯০০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার কথা থাকলেও তা পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ কর্মদিবস পরে। তাছাড়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ভিসা সহজিকরণ করায় সারাদেশে এক সাথে পাসপোর্টের আবেদন বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে প্রক্রিয়া শেষ হয়ে আসতে সময় বেশি লাগছে। এমতাবস্থায় নানা ভাবে পাসপোর্ট আবেদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সর্বাধিক বিড়ম্বনায় পড়ছে বিদেশ ফেরত প্রবাসীরা, যারা দেশে এসে তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছে। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় অনেকের পুণ:রায় প্রবাসে যাওয়াটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ট্রাভেল্স এজেন্সির মালিকরাও বিপাকে রয়েছে।
পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারী বিবি মরিয়ম জানায়, তিনি তার মাকে ভারতে জরুরী চিকিৎসার জন্য নিতে মে মাসের ২০ তারিখে পরিবারের ৩ সদসস্যের জন্য পাসপোর্টের আবেদন করেন। নিয়ম মোতাবেক জুন মাসের ২০ তারিখের আগেই সকল প্রক্রিয়া শেষে পাসপোর্টগুলো হাতে পাওয়ার কথা। কিন্তুু এখন পর্যন্ত পাসপোর্টগুলো ডেলিভারী দিতে পারেনি ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। ঠিক কবে ডেলিভারী দিতে পারবে সেটাও বলতে পারছেনা কর্তৃপক্ষ। এমতাবস্থায় তার মায়ের চিকিৎসা নিয়ে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন পরিবারের সকল সদস্য।
ওমর ফারুক নামে প্রবাস ফেরত এক যুবক জানান, তিনি সময় স্বল্পতার কারণে ৬ হাজার ৯শ টাকা দিতে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্টের জন্য জরুরী ভিত্তিতে আবেদন করেন। নিয়ম মোতাবেক এটি ৭দিনের মধ্যে হাতে পাওয়ার কথা। কিন্তুু ২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও তিনি আবেদনকৃত পাসপোর্টটি পাননি। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে প্রতি একদিন পরপর তিনি পাসপোর্ট অফিসে এসে খবরা খবর নিতে যোগাযোগ করছেন। এতে একদিকে সে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অন্য দিকে প্রতিদিন যাতায়াতে তার বাড়ি খরচ ও সময় নস্ট হচ্ছে।
ফেনী জেলা ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আলী আনসারী জানান, দেশের সব জেলার চেয়ে ফেনীর মানুষ সবচেয়ে বেশি দেশের বাহিরে আয়রোজগারের জন্য অবস্থান করছেন। তারা দেশে ছুটিতে এসে পাসপোর্ট নবায়ন (রিইস্যু) করতে আবেদন দিলে তিন থেকে চার মাসেও পাসপোর্ট ডেলিভারি পাচ্ছেন না। অনেকের ছুটির সময় চলে গেছে তারপরও পাসপোর্ট ডেলিভারি পায়নি। তাদের চাকরি হারানোরও উপক্রম হচ্ছে। এদিকে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা যথাসময়ে আবেদন অনুমোদন না দেওয়ার কারণেও পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবুল হোসেন জানান, গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকেই সংকটের শুরু হয়েছে। অসুস্থ, হজ্জযাত্রী ও জরুরী পাসপোর্ট আবেদনকারীদের তালিকা করে দ্রুত পাসপোর্ট ডেলিভারী দিতে ঢাকায় যোগাযোগ করা হচ্ছে। বর্তমানে ফেনী অফিসে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার আবেদনকারীকে যথাসময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারী দেয়া যাচ্ছেনা বলে তিনি দু:খ প্রকাশ করেছেন।