সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দখল-দূষণের খাল ফিরল প্রাণে, আন্তর্জাতিক পুরস্কার নারায়ণগঞ্জের Logo বগুড়ায় এসেনসিয়াল ড্রাগসে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন উৎপাদনের উদ্যোগ Logo স্বাস্থ্যসেবায় নতুন জোট: ইবনে সিনা–রমনা সমাজকল্যাণ সোসাইটির চুক্তি” Logo জুরাইনে জামায়াতের লিফলেট বিতরণ: ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে জনসম্পৃক্ততার আহ্বান Logo ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদাজিয়ার সমাধিতে এসেনসিয়াল ড্রাগস শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ সংসদের শ্রদ্ধা Logo তামাকের ছোবলে বছরে ২ লাখ অকালমৃত্যু Logo গুম-খুন ও জুলাইয়ে শহীদ-আহত পরিবারের ৭৪ জনের চাকরি Logo উত্তরণ ক্রীড়া সংসদের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী Logo কাদের গনি চৌধুরীকে বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক নিয়োগে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন Logo ধোলাইপাড়ে বিভিন্ন ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

  • মেছবাহ উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দখল-দূষণের খাল ফিরল প্রাণে, আন্তর্জাতিক পুরস্কার নারায়ণগঞ্জের

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।