সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর Logo মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি মনোনীত

ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে গণসংযোগকালে জামায়াত নেত্রীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের পক্ষে প্রচারণাকালে কদমতলী ৫২ নং ওয়ার্ডের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে আজ বুধবার দুপুর ২-০০টায় জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবিকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে যুবদলের সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।

এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর আরেক প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালানোর ঘটনা নির্বাচনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রের অংশ। যারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর শাকসু নির্বাচন বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করেছে তারাই সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না বলেই তারা বিরোধী দলমত সহ্য করতে পারে না। তারা একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা যেতে চায়। সেজন্য তারা নির্বাচনে প্রতিপক্ষদের দমন করার চেষ্টা করছে। প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চায়। তাঁরা আরও বলেন, সর্বস্তরের সকল দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না থাকায় সারাদেশে একটি দলের নেতাকর্মীরা জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা জনমনে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে জনগণ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই একটি দলের নেতাকর্মীর কাছে মা-বোন নিরাপদ নয়; তারা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন হলেও কমিশন ও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি কমিশন ও প্রশাসন যদি কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করে তবে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করতে বাধ্য হবে। এই অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন নেক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অনতিবিলিম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।

উল্লেখ্য বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকার ৫২ নং ওয়ার্ডে মুরাদনগরের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ করার সময় জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি (৫২) এর উপর ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের চাচাতো ভাই ও যুবদল নেতা রমজানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা রামদা সহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। সন্ত্রাসীরা রামদা দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত (কোপ) করলে তিনি ঘটনাস্থলে অচেতন হয়ে পড়েন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মাথায় ৪টি সেলাই করতে হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই

ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে গণসংযোগকালে জামায়াত নেত্রীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের পক্ষে প্রচারণাকালে কদমতলী ৫২ নং ওয়ার্ডের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে আজ বুধবার দুপুর ২-০০টায় জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবিকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে যুবদলের সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।

এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর আরেক প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালানোর ঘটনা নির্বাচনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রের অংশ। যারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর শাকসু নির্বাচন বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করেছে তারাই সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না বলেই তারা বিরোধী দলমত সহ্য করতে পারে না। তারা একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা যেতে চায়। সেজন্য তারা নির্বাচনে প্রতিপক্ষদের দমন করার চেষ্টা করছে। প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চায়। তাঁরা আরও বলেন, সর্বস্তরের সকল দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না থাকায় সারাদেশে একটি দলের নেতাকর্মীরা জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা জনমনে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে জনগণ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই একটি দলের নেতাকর্মীর কাছে মা-বোন নিরাপদ নয়; তারা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন হলেও কমিশন ও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি কমিশন ও প্রশাসন যদি কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করে তবে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করতে বাধ্য হবে। এই অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন নেক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অনতিবিলিম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।

উল্লেখ্য বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকার ৫২ নং ওয়ার্ডে মুরাদনগরের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ করার সময় জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি (৫২) এর উপর ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের চাচাতো ভাই ও যুবদল নেতা রমজানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা রামদা সহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। সন্ত্রাসীরা রামদা দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত (কোপ) করলে তিনি ঘটনাস্থলে অচেতন হয়ে পড়েন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মাথায় ৪টি সেলাই করতে হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।