সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর Logo মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি মনোনীত

তীব্র গরমে ‘ঝুঁকি বাড়ে’ গর্ভবতী নারীর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

তীব্র গরম যে কারো জন্যই অস্বস্তিকর। গর্ভবতী নারীর জন্য এই আবহাওয়া শুধু অস্বস্তিকরই নয়, তা বিপজ্জনকও বটে। কারণ শরীর বেশি গরম হয়ে গেলে বা পানির অভাব হলে তা গর্ভাবস্থায় বিপদ ডেকে আনতে পারে। গর্ভবতী নারী ও তার ঘনিষ্ঠদের জন্য এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অবস্থিত ফিটাল কেয়ার সেন্টার ফর নিক্লাউস চিল্ড্রেন’স হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. সায়মা আফতাব।ওই চিকিৎসকের মতে, তীব্র গরমে একজন গর্ভবতী নারীর শরীরে দুই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

হাইপারথার্মিয়া
গর্ভাবস্থায় শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াকে হাইপারথার্মিয়া বলে। এটি শিশুর জন্মগত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে, গর্ভাবস্থার প্রথম ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে অতিরিক্ত উত্তাপ শিশুর মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডের ত্রুটি তৈরি করতে পারে।

জ্বর, অতিরিক্ত উত্তাপে বাইরে যাওয়া, এমনকি বেশি গরম পানিতে গোসল করলেও হাইপারথার্মিয়া হতে পারে। কিন্তু গর্ভাবস্থার প্রথম আট সপ্তাহের পর হাইপারথার্মিয়া থেকে তেমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না। এমনকি আট সপ্তাহের মাঝেও হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত গর্ভবতী নারীদের মেরুদণ্ডে ত্রুটি নিয়ে জন্মানো সন্তান খুব একটা বেশি নয়। প্রতি ১০ হাজারে তিনজন হতে পারে এমন।

পানিশূন্যতা
গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে তরল ব্যবহার করে আমাদের শরীর যেভাবে তাপমাত্রা কমায়, এ প্রক্রিয়াটিতেও আসে পরিবর্তন। গর্ভাবস্থায় খুব সহজেই পানিশূন্যতায় ভুগতে পারেন একজন নারী। পানিশূন্যতার একটি লক্ষণ হলো মাথা ঘোরা। গর্ভবতী নারীর জন্য তা বিপজ্জনক। কারণ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়াটা মা ও শিশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ ছাড়া পানিশূন্যতার কারণে জরায়ুর পেশিতে টান পড়তে পারে। পানিশূন্যতার কারণে সময়ের আগেই প্রসব বেদনা উঠতে পারে এবং এ প্রসব হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ। যে এলাকায় বেশি গরম পড়ে, সেখানে সময়ের আগে প্রসবের প্রবণতা বেশি থাকে।

এ বিষয়ে সায়মা আফতাবের পরামর্শ, গর্ভাবস্থায় নারীদের বেশি সময় বাইরে থাকা যাবে না। অবশ্যই সরাসরি রোদে যাওয়া যাবে না, ছায়ায় থাকতে হবে। এর পাশাপাশি দিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই

তীব্র গরমে ‘ঝুঁকি বাড়ে’ গর্ভবতী নারীর

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮

তীব্র গরম যে কারো জন্যই অস্বস্তিকর। গর্ভবতী নারীর জন্য এই আবহাওয়া শুধু অস্বস্তিকরই নয়, তা বিপজ্জনকও বটে। কারণ শরীর বেশি গরম হয়ে গেলে বা পানির অভাব হলে তা গর্ভাবস্থায় বিপদ ডেকে আনতে পারে। গর্ভবতী নারী ও তার ঘনিষ্ঠদের জন্য এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অবস্থিত ফিটাল কেয়ার সেন্টার ফর নিক্লাউস চিল্ড্রেন’স হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. সায়মা আফতাব।ওই চিকিৎসকের মতে, তীব্র গরমে একজন গর্ভবতী নারীর শরীরে দুই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

হাইপারথার্মিয়া
গর্ভাবস্থায় শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াকে হাইপারথার্মিয়া বলে। এটি শিশুর জন্মগত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে, গর্ভাবস্থার প্রথম ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে অতিরিক্ত উত্তাপ শিশুর মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডের ত্রুটি তৈরি করতে পারে।

জ্বর, অতিরিক্ত উত্তাপে বাইরে যাওয়া, এমনকি বেশি গরম পানিতে গোসল করলেও হাইপারথার্মিয়া হতে পারে। কিন্তু গর্ভাবস্থার প্রথম আট সপ্তাহের পর হাইপারথার্মিয়া থেকে তেমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না। এমনকি আট সপ্তাহের মাঝেও হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত গর্ভবতী নারীদের মেরুদণ্ডে ত্রুটি নিয়ে জন্মানো সন্তান খুব একটা বেশি নয়। প্রতি ১০ হাজারে তিনজন হতে পারে এমন।

পানিশূন্যতা
গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে তরল ব্যবহার করে আমাদের শরীর যেভাবে তাপমাত্রা কমায়, এ প্রক্রিয়াটিতেও আসে পরিবর্তন। গর্ভাবস্থায় খুব সহজেই পানিশূন্যতায় ভুগতে পারেন একজন নারী। পানিশূন্যতার একটি লক্ষণ হলো মাথা ঘোরা। গর্ভবতী নারীর জন্য তা বিপজ্জনক। কারণ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়াটা মা ও শিশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ ছাড়া পানিশূন্যতার কারণে জরায়ুর পেশিতে টান পড়তে পারে। পানিশূন্যতার কারণে সময়ের আগেই প্রসব বেদনা উঠতে পারে এবং এ প্রসব হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ। যে এলাকায় বেশি গরম পড়ে, সেখানে সময়ের আগে প্রসবের প্রবণতা বেশি থাকে।

এ বিষয়ে সায়মা আফতাবের পরামর্শ, গর্ভাবস্থায় নারীদের বেশি সময় বাইরে থাকা যাবে না। অবশ্যই সরাসরি রোদে যাওয়া যাবে না, ছায়ায় থাকতে হবে। এর পাশাপাশি দিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে।