সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ৩১ মাসের শ্রম ও লাখ টাকার বিনিয়োগের পরও বেতনহীন সংবাদকর্মী, ন্যায্য পাওনার দাবি Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর

৩১ মাসের শ্রম ও লাখ টাকার বিনিয়োগের পরও বেতনহীন সংবাদকর্মী, ন্যায্য পাওনার দাবি

দৈনিক কুমিল্লার আলোর সহ বার্তা সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশিদ দীর্ঘ ৩১ মাস ধরে পত্রিকাটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও বেতন ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগের অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
তার দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে দৈনিক কুমিল্লার আলোর মালিক, সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ জসিম উদ্দিন কনকের সঙ্গে পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সে সময় পত্রিকার কার্যক্রম ছিল সীমিত এবং অফিসের অবকাঠামোগত অবস্থাও ছিল অত্যন্ত দুর্বল।
মামুনুর রশিদ জানান, পত্রিকাটিকে আধুনিক ও কার্যকর সংবাদমাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিজ অর্থ ব্যয় করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করেন, ফেসবুক পেজ ও আইডি চালু করেন এবং নিয়মিত সেগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ প্রকাশ, ফটোকার্ড ও সংবাদ লিংক প্রচারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তিনি আরও জানান, অফিসের নষ্ট কম্পিউটার মেরামত, নতুন মনিটর ও চেয়ার ক্রয়, পত্রিকা প্রকাশে আর্থিক সহযোগিতা, বিভিন্ন উপজেলায় পত্রিকার প্রচার ও বিতরণ এবং সম্পাদক অসুস্থ থাকাকালে ওষুধ ক্রয়সহ নানা খাতে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ব্যয় করেছেন। প্রতিবছর অনলাইন পোর্টালের নবায়ন ও ডেভেলপার ফিও তিনি নিজ খরচে পরিশোধ করেছেন বলে দাবি করেন।
তার ব্যক্তিগত হিসাব অনুযায়ী, পত্রিকার উন্নয়ন ও পরিচালনার বিভিন্ন খাতে তিনি দুই লক্ষ টাকারও বেশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ করেছেন। পাশাপাশি, ১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত কোনো বেতন পাননি বলে অভিযোগ করেন।
মামুনুর রশিদের হিসাব অনুযায়ী, মাসিক ১০ হাজার টাকা হিসেবে ৩১ মাসে তার বকেয়া বেতনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বিজ্ঞাপনের কমিশন, অনলাইন পোর্টাল নির্মাণ ও পরিচালনা ব্যয়, অফিস উন্নয়নে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ এবং অন্যান্য খরচ যুক্ত করলে পাওনার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
এছাড়া তিনি প্রতিনিধি নিয়োগ ও বহিষ্কার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, “একজন সংবাদকর্মীর শ্রম, সময়, মেধা ও আর্থিক অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। আমি আমার ন্যায্য পাওনা, প্রাপ্য সম্মান এবং আইনসম্মত অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করছি।”
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৩১ মাসের শ্রম ও লাখ টাকার বিনিয়োগের পরও বেতনহীন সংবাদকর্মী, ন্যায্য পাওনার দাবি

৩১ মাসের শ্রম ও লাখ টাকার বিনিয়োগের পরও বেতনহীন সংবাদকর্মী, ন্যায্য পাওনার দাবি

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

দৈনিক কুমিল্লার আলোর সহ বার্তা সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশিদ দীর্ঘ ৩১ মাস ধরে পত্রিকাটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও বেতন ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগের অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
তার দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে দৈনিক কুমিল্লার আলোর মালিক, সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ জসিম উদ্দিন কনকের সঙ্গে পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। সে সময় পত্রিকার কার্যক্রম ছিল সীমিত এবং অফিসের অবকাঠামোগত অবস্থাও ছিল অত্যন্ত দুর্বল।
মামুনুর রশিদ জানান, পত্রিকাটিকে আধুনিক ও কার্যকর সংবাদমাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিজ অর্থ ব্যয় করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করেন, ফেসবুক পেজ ও আইডি চালু করেন এবং নিয়মিত সেগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ প্রকাশ, ফটোকার্ড ও সংবাদ লিংক প্রচারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তিনি আরও জানান, অফিসের নষ্ট কম্পিউটার মেরামত, নতুন মনিটর ও চেয়ার ক্রয়, পত্রিকা প্রকাশে আর্থিক সহযোগিতা, বিভিন্ন উপজেলায় পত্রিকার প্রচার ও বিতরণ এবং সম্পাদক অসুস্থ থাকাকালে ওষুধ ক্রয়সহ নানা খাতে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ব্যয় করেছেন। প্রতিবছর অনলাইন পোর্টালের নবায়ন ও ডেভেলপার ফিও তিনি নিজ খরচে পরিশোধ করেছেন বলে দাবি করেন।
তার ব্যক্তিগত হিসাব অনুযায়ী, পত্রিকার উন্নয়ন ও পরিচালনার বিভিন্ন খাতে তিনি দুই লক্ষ টাকারও বেশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ করেছেন। পাশাপাশি, ১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত কোনো বেতন পাননি বলে অভিযোগ করেন।
মামুনুর রশিদের হিসাব অনুযায়ী, মাসিক ১০ হাজার টাকা হিসেবে ৩১ মাসে তার বকেয়া বেতনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বিজ্ঞাপনের কমিশন, অনলাইন পোর্টাল নির্মাণ ও পরিচালনা ব্যয়, অফিস উন্নয়নে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ এবং অন্যান্য খরচ যুক্ত করলে পাওনার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
এছাড়া তিনি প্রতিনিধি নিয়োগ ও বহিষ্কার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, “একজন সংবাদকর্মীর শ্রম, সময়, মেধা ও আর্থিক অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। আমি আমার ন্যায্য পাওনা, প্রাপ্য সম্মান এবং আইনসম্মত অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করছি।”
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।