সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর Logo মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি মনোনীত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের ভূমিকা অনবদ্য : সাবেক এমপি রহিম উল্যাহ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০
  • ৯৯৯ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বিভিন্ন সময়ে একান্ত সাক্ষৎকারের দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের বক্তব্য এবং মন্তব্য তুলে ধরেন ফেনী-০৩ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহ। নিজের দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাঁর প্রতিটি বক্ত্যবে। এবার তিনি কথা বলেছেন করোনাকালীন সময়ে প্রবাসীদের জীবনমান সম্পর্কে। সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম একটি উৎস হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। তাই বলাযায় অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান মহামারীর সময়কালে সকলের মতো তাদেরও জীবনমানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বৈশ্বিক মহামারী হওয়ায় পথিবীর প্রতিটি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীরাই একপ্রকার কঠোর পরিস্থিতিতে দিনযাপন করছেন। ইতিমধ্যেই অনেক চাকরিচ্যুত হয়ে ফিরেছেন দেশে আবার অনেকেই চাকরী হারানোর ভয়ে আতংকিত অনেকেই পরেছেন করোনার ছোবলে। প্রান হারানোর সংখ্যাও কম নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে প্রবাসীদের উন্নয়ন এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রতিটি খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। থেমে নেই আর্থিক সহায়তার কার্যক্রম। কিন্তু এই সাঁড়ি থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধারা। তাদের সকলেরই রয়েছে অটুট মনোবল। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোন প্রকার প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সহায়তা কামনার পরিবর্তে সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাড়ানোকেই দায়িত্ব মনে করেন। ফেনী-০৩ আসনের সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহর ভাষ্য মতে, নিজেদের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও অনেক প্রবাসী দেশে এসে মানুষের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের মহৎ গুনের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিজেও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাস জীবনে থাকায় প্রবাসীদের প্রতি তার সহানুভূতিশীল মনোভাব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। শুধু তাই নয় তিনি সাংসদ থাকাকালীন সময়ে জাতীয় সংসদ অধীবেশনে প্রবাসীদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সকল প্রবাসী এবং প্রবাসীদের পরিবারের সকলের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ্যতা কামনা করে সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা উদঘাটন,সমস্যা সমাধান সহ প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই প্রবাসী ছিলেন। উনিও প্রবাসীদের কষ্ট বুঝেন। তাই প্রতিটি প্রবাসীর উচিৎ দৃঢ় মনেবলের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে যেমনি রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে তেমনি বর্তমান সময়ে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের ভূমিকা অনবদ্য : সাবেক এমপি রহিম উল্যাহ

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বিভিন্ন সময়ে একান্ত সাক্ষৎকারের দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের বক্তব্য এবং মন্তব্য তুলে ধরেন ফেনী-০৩ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহ। নিজের দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাঁর প্রতিটি বক্ত্যবে। এবার তিনি কথা বলেছেন করোনাকালীন সময়ে প্রবাসীদের জীবনমান সম্পর্কে। সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম একটি উৎস হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। তাই বলাযায় অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান মহামারীর সময়কালে সকলের মতো তাদেরও জীবনমানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বৈশ্বিক মহামারী হওয়ায় পথিবীর প্রতিটি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীরাই একপ্রকার কঠোর পরিস্থিতিতে দিনযাপন করছেন। ইতিমধ্যেই অনেক চাকরিচ্যুত হয়ে ফিরেছেন দেশে আবার অনেকেই চাকরী হারানোর ভয়ে আতংকিত অনেকেই পরেছেন করোনার ছোবলে। প্রান হারানোর সংখ্যাও কম নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে প্রবাসীদের উন্নয়ন এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রতিটি খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। থেমে নেই আর্থিক সহায়তার কার্যক্রম। কিন্তু এই সাঁড়ি থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধারা। তাদের সকলেরই রয়েছে অটুট মনোবল। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোন প্রকার প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সহায়তা কামনার পরিবর্তে সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাড়ানোকেই দায়িত্ব মনে করেন। ফেনী-০৩ আসনের সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহর ভাষ্য মতে, নিজেদের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও অনেক প্রবাসী দেশে এসে মানুষের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের মহৎ গুনের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিজেও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাস জীবনে থাকায় প্রবাসীদের প্রতি তার সহানুভূতিশীল মনোভাব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। শুধু তাই নয় তিনি সাংসদ থাকাকালীন সময়ে জাতীয় সংসদ অধীবেশনে প্রবাসীদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সকল প্রবাসী এবং প্রবাসীদের পরিবারের সকলের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ্যতা কামনা করে সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা উদঘাটন,সমস্যা সমাধান সহ প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই প্রবাসী ছিলেন। উনিও প্রবাসীদের কষ্ট বুঝেন। তাই প্রতিটি প্রবাসীর উচিৎ দৃঢ় মনেবলের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে যেমনি রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে তেমনি বর্তমান সময়ে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।