সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় মে মাসে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’: থাকছে ১২ সেশন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ Logo মুন্সীরহাট জি এন্ড এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo এসেনসিয়াল ড্রাগসে শ্রমিক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা Logo এসএমই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে উদ্যোক্তা সেবা গ্রহণে আহবান Logo মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতৃবৃন্দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়সভা Logo পহেলা বৈশাখে এন.পি. মিনি ইংলিশ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ ১লা বৈশাখ, মঙ্গলবার “ বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ “ উদযাপন করতে যাচ্ছে Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হলেন যারা Logo দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের ভূমিকা অনবদ্য : সাবেক এমপি রহিম উল্যাহ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০
  • ৯৭৭ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বিভিন্ন সময়ে একান্ত সাক্ষৎকারের দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের বক্তব্য এবং মন্তব্য তুলে ধরেন ফেনী-০৩ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহ। নিজের দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাঁর প্রতিটি বক্ত্যবে। এবার তিনি কথা বলেছেন করোনাকালীন সময়ে প্রবাসীদের জীবনমান সম্পর্কে। সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম একটি উৎস হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। তাই বলাযায় অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান মহামারীর সময়কালে সকলের মতো তাদেরও জীবনমানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বৈশ্বিক মহামারী হওয়ায় পথিবীর প্রতিটি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীরাই একপ্রকার কঠোর পরিস্থিতিতে দিনযাপন করছেন। ইতিমধ্যেই অনেক চাকরিচ্যুত হয়ে ফিরেছেন দেশে আবার অনেকেই চাকরী হারানোর ভয়ে আতংকিত অনেকেই পরেছেন করোনার ছোবলে। প্রান হারানোর সংখ্যাও কম নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে প্রবাসীদের উন্নয়ন এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রতিটি খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। থেমে নেই আর্থিক সহায়তার কার্যক্রম। কিন্তু এই সাঁড়ি থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধারা। তাদের সকলেরই রয়েছে অটুট মনোবল। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোন প্রকার প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সহায়তা কামনার পরিবর্তে সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাড়ানোকেই দায়িত্ব মনে করেন। ফেনী-০৩ আসনের সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহর ভাষ্য মতে, নিজেদের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও অনেক প্রবাসী দেশে এসে মানুষের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের মহৎ গুনের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিজেও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাস জীবনে থাকায় প্রবাসীদের প্রতি তার সহানুভূতিশীল মনোভাব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। শুধু তাই নয় তিনি সাংসদ থাকাকালীন সময়ে জাতীয় সংসদ অধীবেশনে প্রবাসীদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সকল প্রবাসী এবং প্রবাসীদের পরিবারের সকলের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ্যতা কামনা করে সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা উদঘাটন,সমস্যা সমাধান সহ প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই প্রবাসী ছিলেন। উনিও প্রবাসীদের কষ্ট বুঝেন। তাই প্রতিটি প্রবাসীর উচিৎ দৃঢ় মনেবলের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে যেমনি রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে তেমনি বর্তমান সময়ে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের ভূমিকা অনবদ্য : সাবেক এমপি রহিম উল্যাহ

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : বিভিন্ন সময়ে একান্ত সাক্ষৎকারের দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের বক্তব্য এবং মন্তব্য তুলে ধরেন ফেনী-০৩ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহ। নিজের দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাঁর প্রতিটি বক্ত্যবে। এবার তিনি কথা বলেছেন করোনাকালীন সময়ে প্রবাসীদের জীবনমান সম্পর্কে। সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম একটি উৎস হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। তাই বলাযায় অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান মহামারীর সময়কালে সকলের মতো তাদেরও জীবনমানে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বৈশ্বিক মহামারী হওয়ায় পথিবীর প্রতিটি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীরাই একপ্রকার কঠোর পরিস্থিতিতে দিনযাপন করছেন। ইতিমধ্যেই অনেক চাকরিচ্যুত হয়ে ফিরেছেন দেশে আবার অনেকেই চাকরী হারানোর ভয়ে আতংকিত অনেকেই পরেছেন করোনার ছোবলে। প্রান হারানোর সংখ্যাও কম নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে প্রবাসীদের উন্নয়ন এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রতিটি খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। থেমে নেই আর্থিক সহায়তার কার্যক্রম। কিন্তু এই সাঁড়ি থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধারা। তাদের সকলেরই রয়েছে অটুট মনোবল। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোন প্রকার প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সহায়তা কামনার পরিবর্তে সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাড়ানোকেই দায়িত্ব মনে করেন। ফেনী-০৩ আসনের সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহর ভাষ্য মতে, নিজেদের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও অনেক প্রবাসী দেশে এসে মানুষের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের মহৎ গুনের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিজেও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাস জীবনে থাকায় প্রবাসীদের প্রতি তার সহানুভূতিশীল মনোভাব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। শুধু তাই নয় তিনি সাংসদ থাকাকালীন সময়ে জাতীয় সংসদ অধীবেশনে প্রবাসীদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সকল প্রবাসী এবং প্রবাসীদের পরিবারের সকলের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ্যতা কামনা করে সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা উদঘাটন,সমস্যা সমাধান সহ প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই প্রবাসী ছিলেন। উনিও প্রবাসীদের কষ্ট বুঝেন। তাই প্রতিটি প্রবাসীর উচিৎ দৃঢ় মনেবলের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে যেমনি রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে তেমনি বর্তমান সময়ে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।