সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় মে মাসে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’: থাকছে ১২ সেশন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ Logo মুন্সীরহাট জি এন্ড এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo এসেনসিয়াল ড্রাগসে শ্রমিক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা Logo এসএমই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে উদ্যোক্তা সেবা গ্রহণে আহবান Logo মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতৃবৃন্দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়সভা Logo পহেলা বৈশাখে এন.পি. মিনি ইংলিশ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ ১লা বৈশাখ, মঙ্গলবার “ বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ “ উদযাপন করতে যাচ্ছে Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হলেন যারা Logo দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

আল আজহার: যেখানে মিশে আছে হাজার বছরের মুসলিম ঐতিহ্য

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮
  • ১২৭৬ বার পড়া হয়েছে

ফাতেমীয় সেনাপতি জওহর আলসিসিলী যখন ফাতেমীয় খলীফা আল-মুইযের আদেশে আব্বাসীয় খলীফাদের নিকট থেকে মিসর জয় করে নেন, তখন তিনি কায়রো শহর প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই ৯৭২ ঈসায়ী/৩৬১ হিজরীতে আল আজহার মসজিদ স্থাপন করেন।

ঐতিহাসিকরা মসজিদটির নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছেন। কেউ মনে করেন, মসজিদটিকে কেন্দ্র করে তৎকালীন শহরটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় মসজিদটিকে আল আজহার বলে ডা্কা হতো। অন্যরা মনে করছেন, রাসূল (সা.) এর কন্যা হযরত ফাতেমা আল-জাহরা (রা.) এর নাম থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে আল আজহার।

ফাতেমীয় শাসনামলে (৯৭২-১১৭১) বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আল আজহারের খুব গুরুত্ব ছিলোনা। শুধু শিয়া মতবাদ ভিত্তিক শিক্ষা প্রদানের কারণে তখন অন্যান্য মুসলমানরা এখানে শিক্ষা অর্জন করতে আসার আগ্রহ করতোনা। এছাড়া তৎকালীন মুসলমানদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাগদাদের প্রবল প্রভাব আল আজহারকে ম্লান করে দেয়। বাগদাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের সামনে আল আজহার তখন বিখ্যাত কোনো প্রতিষ্ঠান ছিলোনা।

এছাড়া ফাতেমীয় শাসকদের অধিকাংশ মুসলমানরা শাসক হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত ছিলোনা। ফলে ফাতেমীয়দের শাসনে আল আজহার ইসলামী বিশ্বের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী অবস্থানে যেতে সক্ষম হয়নি।

আইয়ুবী শাসকরা যখন বাগদাদের আব্বাসীয় খলীফাদের অধীনে মিসরের ক্ষমতা অধিকার করেন, তখন তারা আল আজহারের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্মুক্ত করে দেন। তবে তখনো আল আজহার প্রভাব বিস্তারকারী অবস্থানে যেতে পারেনি। মিসর, ‍সিরিয়া, ইরাক ও আন্দালুসিয়ার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো এটিও অপর একটি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে।

মামলুক সুলতান বাইবার্সের আমলে তার প্রধানমন্ত্রী ইজ্জুদ্দীন আয়দেমীরের হাতে আল আজহার পুর্নজন্ম লাভ করে। তার পরিকল্পনা অনুসারে সুলতান আল আজহারের সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করেন। তার হাত ধরেই আল আজহার তার স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে।

১২৫৮ ঈসায়ীতে মঙ্গলদের হাতে বাগদাদের পতনের পর অসংখ্য মুসলিম পণ্ডিত ও বিদ্বান ব্যক্তি মিসরে আশ্রয় গ্রহণ করেন। ১২৬০ ঈসায়ীতে আইন জালুতের যুদ্ধে মঙ্গলদের পরাস্থ করার পর বাইবার্স ছিন্নভিন্ন আব্বাসীয়দের কায়রোতে আমন্ত্রণ করেন এবং আব্বাসীয় খেলাফতকে পুনর্জীবিত করেন। এর ফলে মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্র বাগদাদের পরিবর্তে কায়রোতে স্থানান্তরিত হয়। ফলশ্রুতিতে মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্রভূমি হিসেবে কায়রোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।

বাগদাদ থেকে কায়রোতে মুসলিম পণ্ডিতদের অভিবাসনের পাশাপাশি এসময় আন্দালুসিয়া থেকেও একইরূপ অভিবাসনের ঢল আসে। ১২৩৬ থেকে ১২৬১ ঈসায়ীর মধ্যে আন্দালুসিয়ার কর্ডোভা, সেভিল, ভ্যালেন্সিয়া সহ বিভিন্ন বড় বড় শহরের খ্রিস্টান ক্যাসেলিয় বাহিনীর হাতে পতন হওয়ায় সেখানকার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পণ্ডিতরাও বাস্তুহারা হয়ে পড়েন। তৎকালীন মামলুক সালতানাত মুসলিম বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র হওয়ায় সকলেই মিসরে আশ্রয় গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ হন। বাগদাদ ও আন্দালুসিয়ার এই পন্ডিতদের সহায়তায় আল আজহার তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

মামলুক শাসনামলে বিশ্বের সমসাময়িক প্রখ্যাত মুসলিম পণ্ডিতগণ প্রায় সকলেই আল আজহারে শিক্ষকতা করতেন অথবা কোনো এক সময়ে আল আজহারে স্বল্প সময়ের জন্য এসেছিলেন। মামলুক শাসকদের প্রখর তত্ত্বাবধানে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

মামলুক শাসনামলে আল আজহারে শিক্ষকতা করা বিখ্যাত পন্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন, আবুল আব্বাস আল-কালকাসান্দি, তাকি উদ্দীন আহমদ আল-মাকরিজি, ইবনে হিজর আল-আসকালানি, বদর উদ্দীন আল-আইনি, সিরাজ উদ্দীন আল-বালকিনি, জালাল উদ্দীন আল-সূয়তি, আবদুর রহমান ইবনে খালদুন প্রমুখ।

১৫১৭ ঈসায়ীতে মামলুকদের পতনের পর ওসমানীয় শাসনামলেও আল আজহার তার প্রভাব বজায় রাখে। মিসরের পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম বিশ্বে এটি একটি শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে।

আল আজহারের সূচনা থেকে যেসকল বিষয়ে পাঠদানের জন্য পরিচিত, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, উলুমুল কুরআন, উলুমুল হাদীস, ইলমুল কালাম (ধর্মতত্ত্ব), ফিকাহ (আইন), উসুল, নাহু-সরফ (ব্যকরণ), বালাগাহ (অলঙ্কার শাস্ত্র), আদাব (সাহিত্য), তারিখ (ইতিহাস), তিব (চিকিৎসা শাস্ত্র), ফালসাফা (দর্শন) এবং মানতিক (যুক্তিবিজ্ঞান)।

আল আজহারের অবকাঠামো

আল আজহার বর্তমানে যেসকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত তা নিম্নরূপ,

আল আজহার সুপ্রিম কাউন্সিল
সংস্কৃতি ও ইসলামী গবেষণা বিভাগ
আজহার ইন্সটিটিউটসমূহ
আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
আজহার গ্রন্থাগার
ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র
ফতোয়া কমিটি

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত

আল আজহার: যেখানে মিশে আছে হাজার বছরের মুসলিম ঐতিহ্য

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮

ফাতেমীয় সেনাপতি জওহর আলসিসিলী যখন ফাতেমীয় খলীফা আল-মুইযের আদেশে আব্বাসীয় খলীফাদের নিকট থেকে মিসর জয় করে নেন, তখন তিনি কায়রো শহর প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই ৯৭২ ঈসায়ী/৩৬১ হিজরীতে আল আজহার মসজিদ স্থাপন করেন।

ঐতিহাসিকরা মসজিদটির নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছেন। কেউ মনে করেন, মসজিদটিকে কেন্দ্র করে তৎকালীন শহরটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় মসজিদটিকে আল আজহার বলে ডা্কা হতো। অন্যরা মনে করছেন, রাসূল (সা.) এর কন্যা হযরত ফাতেমা আল-জাহরা (রা.) এর নাম থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে আল আজহার।

ফাতেমীয় শাসনামলে (৯৭২-১১৭১) বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আল আজহারের খুব গুরুত্ব ছিলোনা। শুধু শিয়া মতবাদ ভিত্তিক শিক্ষা প্রদানের কারণে তখন অন্যান্য মুসলমানরা এখানে শিক্ষা অর্জন করতে আসার আগ্রহ করতোনা। এছাড়া তৎকালীন মুসলমানদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাগদাদের প্রবল প্রভাব আল আজহারকে ম্লান করে দেয়। বাগদাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের সামনে আল আজহার তখন বিখ্যাত কোনো প্রতিষ্ঠান ছিলোনা।

এছাড়া ফাতেমীয় শাসকদের অধিকাংশ মুসলমানরা শাসক হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত ছিলোনা। ফলে ফাতেমীয়দের শাসনে আল আজহার ইসলামী বিশ্বের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী অবস্থানে যেতে সক্ষম হয়নি।

আইয়ুবী শাসকরা যখন বাগদাদের আব্বাসীয় খলীফাদের অধীনে মিসরের ক্ষমতা অধিকার করেন, তখন তারা আল আজহারের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্মুক্ত করে দেন। তবে তখনো আল আজহার প্রভাব বিস্তারকারী অবস্থানে যেতে পারেনি। মিসর, ‍সিরিয়া, ইরাক ও আন্দালুসিয়ার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো এটিও অপর একটি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে।

মামলুক সুলতান বাইবার্সের আমলে তার প্রধানমন্ত্রী ইজ্জুদ্দীন আয়দেমীরের হাতে আল আজহার পুর্নজন্ম লাভ করে। তার পরিকল্পনা অনুসারে সুলতান আল আজহারের সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করেন। তার হাত ধরেই আল আজহার তার স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে।

১২৫৮ ঈসায়ীতে মঙ্গলদের হাতে বাগদাদের পতনের পর অসংখ্য মুসলিম পণ্ডিত ও বিদ্বান ব্যক্তি মিসরে আশ্রয় গ্রহণ করেন। ১২৬০ ঈসায়ীতে আইন জালুতের যুদ্ধে মঙ্গলদের পরাস্থ করার পর বাইবার্স ছিন্নভিন্ন আব্বাসীয়দের কায়রোতে আমন্ত্রণ করেন এবং আব্বাসীয় খেলাফতকে পুনর্জীবিত করেন। এর ফলে মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্র বাগদাদের পরিবর্তে কায়রোতে স্থানান্তরিত হয়। ফলশ্রুতিতে মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্রভূমি হিসেবে কায়রোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।

বাগদাদ থেকে কায়রোতে মুসলিম পণ্ডিতদের অভিবাসনের পাশাপাশি এসময় আন্দালুসিয়া থেকেও একইরূপ অভিবাসনের ঢল আসে। ১২৩৬ থেকে ১২৬১ ঈসায়ীর মধ্যে আন্দালুসিয়ার কর্ডোভা, সেভিল, ভ্যালেন্সিয়া সহ বিভিন্ন বড় বড় শহরের খ্রিস্টান ক্যাসেলিয় বাহিনীর হাতে পতন হওয়ায় সেখানকার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পণ্ডিতরাও বাস্তুহারা হয়ে পড়েন। তৎকালীন মামলুক সালতানাত মুসলিম বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র হওয়ায় সকলেই মিসরে আশ্রয় গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ হন। বাগদাদ ও আন্দালুসিয়ার এই পন্ডিতদের সহায়তায় আল আজহার তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

মামলুক শাসনামলে বিশ্বের সমসাময়িক প্রখ্যাত মুসলিম পণ্ডিতগণ প্রায় সকলেই আল আজহারে শিক্ষকতা করতেন অথবা কোনো এক সময়ে আল আজহারে স্বল্প সময়ের জন্য এসেছিলেন। মামলুক শাসকদের প্রখর তত্ত্বাবধানে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

মামলুক শাসনামলে আল আজহারে শিক্ষকতা করা বিখ্যাত পন্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন, আবুল আব্বাস আল-কালকাসান্দি, তাকি উদ্দীন আহমদ আল-মাকরিজি, ইবনে হিজর আল-আসকালানি, বদর উদ্দীন আল-আইনি, সিরাজ উদ্দীন আল-বালকিনি, জালাল উদ্দীন আল-সূয়তি, আবদুর রহমান ইবনে খালদুন প্রমুখ।

১৫১৭ ঈসায়ীতে মামলুকদের পতনের পর ওসমানীয় শাসনামলেও আল আজহার তার প্রভাব বজায় রাখে। মিসরের পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম বিশ্বে এটি একটি শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে।

আল আজহারের সূচনা থেকে যেসকল বিষয়ে পাঠদানের জন্য পরিচিত, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, উলুমুল কুরআন, উলুমুল হাদীস, ইলমুল কালাম (ধর্মতত্ত্ব), ফিকাহ (আইন), উসুল, নাহু-সরফ (ব্যকরণ), বালাগাহ (অলঙ্কার শাস্ত্র), আদাব (সাহিত্য), তারিখ (ইতিহাস), তিব (চিকিৎসা শাস্ত্র), ফালসাফা (দর্শন) এবং মানতিক (যুক্তিবিজ্ঞান)।

আল আজহারের অবকাঠামো

আল আজহার বর্তমানে যেসকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত তা নিম্নরূপ,

আল আজহার সুপ্রিম কাউন্সিল
সংস্কৃতি ও ইসলামী গবেষণা বিভাগ
আজহার ইন্সটিটিউটসমূহ
আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
আজহার গ্রন্থাগার
ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র
ফতোয়া কমিটি