সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আঃ কাঃ মোঃ আশরাফুজ্জামান নিয়োগ পেলেন Logo ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে আধুনিক এনডোস্কপি ও কোলনোস্কপি পরীক্ষা চালু Logo ফরিদগঞ্জে সমাজসেবক ও সাবেক গ্রাম সরকার মো. খাজে আহমাদ মিয়াজির ইন্তেকাল Logo চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান Logo ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যের আহ্বান: জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্কের টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনে যাচ্ছে ইডিসিএল Logo সুস্থ জীবন ও স্বাবলম্বিতার বার্তা নিয়ে “ন্যাচারাল ভারটেক্স”-এর কর্মশালা

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ৯৫১ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

আপডেট সময় : ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।