সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় মে মাসে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’: থাকছে ১২ সেশন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ Logo মুন্সীরহাট জি এন্ড এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo এসেনসিয়াল ড্রাগসে শ্রমিক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা Logo এসএমই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে উদ্যোক্তা সেবা গ্রহণে আহবান Logo মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতৃবৃন্দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়সভা Logo পহেলা বৈশাখে এন.পি. মিনি ইংলিশ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ ১লা বৈশাখ, মঙ্গলবার “ বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ “ উদযাপন করতে যাচ্ছে Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হলেন যারা Logo দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ৯৩৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

আপডেট সময় : ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।