সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর Logo মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি মনোনীত

রাজনীতি ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা শক্তিশালী করা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

রাজনীতি ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জনাব জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)র সেমিনার রুমে পিআইবি ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘সাংবাদিকতায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক ম্যানুয়াল প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমকর্মী- উভয়কেই সারাক্ষণ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হয়। রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য রাষ্ট্র ক্ষমতা ও জনসেবা আর গণমাধ্যমের লক্ষ্য সংবাদ পরিবেশন। কিন্তু এই দুই ক্ষেত্রে যদি সঠিক জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া না থাকে, তবে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাসী। কারণ, শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যমই রাজনীতিবিদদের ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে পারে।’

শুধুমাত্র জবাবদিহিতার একটি শক্তিশালী সংস্কৃতি গড়ে তুললেই স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম নিশ্চিত করা সম্ভব এবং জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নেয়া যায় বলে জানান জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘ইউটিউব বা সামাজিক মাধ্যমে বিমূর্ত কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতার কথা বলা অবাস্তব। জবাবদিহিতা হতে হবে সুনির্দিষ্ট অস্তিত্বসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও সুস্থ নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’

গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকার কোনো একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এরইমধ্যে সংবাদপত্র মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পর্যায়ক্রমে সম্পাদক ও টেলিভিশন মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক হবে। অংশীজনদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাবের ভিত্তিতেই গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ‘এই ম্যানুয়ালটি, অন্তর্ভুক্তির প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং এর দেয়া নির্দেশনাগুলো আমাদের গ্রহণ করতে হবে। সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে, কারণ অর্থবহ পরিবর্তন আপনাদের নেতৃত্ব থেকেই আসবে। সবাই মিলে কাজ করলে আমরা বিদ্যমান ব্যবধানগুলো দূর করতে পারব এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে এগিয়ে যেতে পারব। আইন থাকলেও, প্রকৃত অগ্রগতির জন্য আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।’মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শবনম মোস্তারী বলেন, ‘জেন্ডার সমতা কেবল নীতিমালায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এটি আমাদের দৈনন্দিন চর্চা, বিশেষ করে গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সংবাদ উপস্থাপন, ভাষার ব্যবহার এবং কার কণ্ঠ আমরা তুলে ধরছি,এই প্রতিটি ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমেই আমরা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে যেতে পারবো। ম্যানুয়ালটিতে নৈতিক সাক্ষাৎকার গ্রহণের নির্দেশিকা, সংবাদ যাচাইয়ের জন্য সম্পাদকীয় পর্যালোচনা প্রক্রিয়া এবং দর্শক-পাঠকের প্রতিক্রিয়া জানানোর একটি ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত।”

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, ‘আজকের সময়ে গণমাধ্যম সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে। এই ম্যানুয়ালটি গণমাধ্যমকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, এবং এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গণমাধ্যমকে আরও সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করছে।’

পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘গণমাধ্যমে নারীদের যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, তা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এই ম্যানুয়ালটি সাংবাদিকদের আরও জেন্ডার সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে এবং আরও ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন নিশ্চিত করতে ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।’

ম্যানুয়েলটির উপস্থাপন করেন পিআইবির সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন, পিআইবির প্রশিক্ষক জিহাদ উদ্দিন নিপুন।

সমন্বিত ও প্রমাণভিত্তিক প্রক্রিয়ায় তৈরি এই ম্যানুয়ালটি দেশের গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন। এতে জেন্ডার সংবেদনশীল ভাষার ব্যবহার, নৈতিক সাংবাদিকতা, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উপস্থাপনার জন্য ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, পাশাপাশি গণমাধ্যমে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের পক্ষপাত ও স্টেরিওটাইপ মোকাবিলার উপায় তুলে ধরা হয়েছে। জ্ঞান, মনোভাব ও অনুশীলন-এই তিনটি ধাপের সমন্বয়ে এটি সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে। জাতীয় নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি এই ম্যানুয়ালটি গণমাধ্যমকে সামাজিক পরিবর্তনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :

34 thoughts on “রাজনীতি ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা শক্তিশালী করা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই

রাজনীতি ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা শক্তিশালী করা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

রাজনীতি ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জনাব জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)র সেমিনার রুমে পিআইবি ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘সাংবাদিকতায় জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক ম্যানুয়াল প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমকর্মী- উভয়কেই সারাক্ষণ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হয়। রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য রাষ্ট্র ক্ষমতা ও জনসেবা আর গণমাধ্যমের লক্ষ্য সংবাদ পরিবেশন। কিন্তু এই দুই ক্ষেত্রে যদি সঠিক জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া না থাকে, তবে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাসী। কারণ, শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যমই রাজনীতিবিদদের ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে পারে।’

শুধুমাত্র জবাবদিহিতার একটি শক্তিশালী সংস্কৃতি গড়ে তুললেই স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম নিশ্চিত করা সম্ভব এবং জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নেয়া যায় বলে জানান জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘ইউটিউব বা সামাজিক মাধ্যমে বিমূর্ত কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতার কথা বলা অবাস্তব। জবাবদিহিতা হতে হবে সুনির্দিষ্ট অস্তিত্বসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও সুস্থ নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’

গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকার কোনো একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এরইমধ্যে সংবাদপত্র মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পর্যায়ক্রমে সম্পাদক ও টেলিভিশন মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক হবে। অংশীজনদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাবের ভিত্তিতেই গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ‘এই ম্যানুয়ালটি, অন্তর্ভুক্তির প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং এর দেয়া নির্দেশনাগুলো আমাদের গ্রহণ করতে হবে। সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে, কারণ অর্থবহ পরিবর্তন আপনাদের নেতৃত্ব থেকেই আসবে। সবাই মিলে কাজ করলে আমরা বিদ্যমান ব্যবধানগুলো দূর করতে পারব এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে এগিয়ে যেতে পারব। আইন থাকলেও, প্রকৃত অগ্রগতির জন্য আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।’মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শবনম মোস্তারী বলেন, ‘জেন্ডার সমতা কেবল নীতিমালায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এটি আমাদের দৈনন্দিন চর্চা, বিশেষ করে গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সংবাদ উপস্থাপন, ভাষার ব্যবহার এবং কার কণ্ঠ আমরা তুলে ধরছি,এই প্রতিটি ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমেই আমরা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে যেতে পারবো। ম্যানুয়ালটিতে নৈতিক সাক্ষাৎকার গ্রহণের নির্দেশিকা, সংবাদ যাচাইয়ের জন্য সম্পাদকীয় পর্যালোচনা প্রক্রিয়া এবং দর্শক-পাঠকের প্রতিক্রিয়া জানানোর একটি ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত।”

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, ‘আজকের সময়ে গণমাধ্যম সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে। এই ম্যানুয়ালটি গণমাধ্যমকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, এবং এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গণমাধ্যমকে আরও সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করছে।’

পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘গণমাধ্যমে নারীদের যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, তা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এই ম্যানুয়ালটি সাংবাদিকদের আরও জেন্ডার সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে এবং আরও ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন নিশ্চিত করতে ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।’

ম্যানুয়েলটির উপস্থাপন করেন পিআইবির সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন, পিআইবির প্রশিক্ষক জিহাদ উদ্দিন নিপুন।

সমন্বিত ও প্রমাণভিত্তিক প্রক্রিয়ায় তৈরি এই ম্যানুয়ালটি দেশের গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন। এতে জেন্ডার সংবেদনশীল ভাষার ব্যবহার, নৈতিক সাংবাদিকতা, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উপস্থাপনার জন্য ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, পাশাপাশি গণমাধ্যমে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের পক্ষপাত ও স্টেরিওটাইপ মোকাবিলার উপায় তুলে ধরা হয়েছে। জ্ঞান, মনোভাব ও অনুশীলন-এই তিনটি ধাপের সমন্বয়ে এটি সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে। জাতীয় নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি এই ম্যানুয়ালটি গণমাধ্যমকে সামাজিক পরিবর্তনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।