সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আঃ কাঃ মোঃ আশরাফুজ্জামান নিয়োগ পেলেন Logo ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে আধুনিক এনডোস্কপি ও কোলনোস্কপি পরীক্ষা চালু Logo ফরিদগঞ্জে সমাজসেবক ও সাবেক গ্রাম সরকার মো. খাজে আহমাদ মিয়াজির ইন্তেকাল Logo চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান Logo ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যের আহ্বান: জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্কের টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনে যাচ্ছে ইডিসিএল Logo সুস্থ জীবন ও স্বাবলম্বিতার বার্তা নিয়ে “ন্যাচারাল ভারটেক্স”-এর কর্মশালা

‘আমার ছেলের সন্ধান চাই’

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮
  • ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মো. তারেক রহমানকে সুস্থভাবে ফিরে পাওয়ার আরজি জানিয়েছেন তার মা সাহানা বেগম। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আরজি জানান তিনি। এ সময় নিখোঁজ তারেকের বাবা মো. আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে আবদুল লতিফ জানান, আমার ছেলে তারেক কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে ঢাকায় বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এজন্য ফার্মগেটে কনফিডেন্স নামের একটি কোচিং সেন্টারে পড়তেন তিনি। গত শনিবার রাত থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তারেকের মা শাহানা বেগম বলেন, তারেকের এক বন্ধু জানিয়েছেন, গত শনিবার বিকালে তারেক বন্ধুদের বলেছিল, কিছু লোক তার আশপাশে ঘুরঘুর করছে। তাকে ফলো করছে। পরে ওইদিন রাত থেকেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার বাবা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম পর্যায়েও তারেককে একবার তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কোনো মামলা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। তারেক যখন কোটা সংস্কারের পক্ষে আন্দোলন করছিল, পরিবারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। তখন আমি তাকে বলি, তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না, তাই তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেও না। তখন তারেক বলেছিল ‘চাকরির জন্য আন্দোলন করছি।’ তখন আমি বলি, ঠিক আছে, তোমরা আন্দোলন করলে সরকার মেনে নিলে আমার আপত্তি কেন? তারেক ঢাকায় আসার পর প্রথমে মধ্য বাড্ডায় বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা করছিলেন। তবে সেখানেও পুলিশ তার খোঁজ করছিল। পরে ওই বাসা ছেড়ে মেসে ওঠেন। সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারেকের বাবা বলেন, ‘আমরা কেউই রাজনীতি করি না। তবে আমাদের ছেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল বলে শুনেছি।’ তারেকের বৃদ্ধা মা বলেন, ‘আমার ছেলের সন্ধান চাই। একটাই চাওয়া, ছেলেটা যেন সুস্থভাবে আমাদের কাছে ফিরে আসে।’ তাদের ছেলের খোঁজ না পেয়ে গত রোববার রাতে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। কিন্তু তারেকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাস্থল ওই থানাধীন না হওয়ায় পরে তারা রাত সোয়া ১২টার দিকে শাহবাগ থানায় যান। সেখান থেকে তাদেরকে একদিন অপেক্ষা করতে বলে তারেকের নাম-ঠিকানা লিখে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।গত শনিবার থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মো. তারেক রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানায় তার পরিবার। কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত থাকায় তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান

‘আমার ছেলের সন্ধান চাই’

আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মো. তারেক রহমানকে সুস্থভাবে ফিরে পাওয়ার আরজি জানিয়েছেন তার মা সাহানা বেগম। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আরজি জানান তিনি। এ সময় নিখোঁজ তারেকের বাবা মো. আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে আবদুল লতিফ জানান, আমার ছেলে তারেক কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে ঢাকায় বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এজন্য ফার্মগেটে কনফিডেন্স নামের একটি কোচিং সেন্টারে পড়তেন তিনি। গত শনিবার রাত থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তারেকের মা শাহানা বেগম বলেন, তারেকের এক বন্ধু জানিয়েছেন, গত শনিবার বিকালে তারেক বন্ধুদের বলেছিল, কিছু লোক তার আশপাশে ঘুরঘুর করছে। তাকে ফলো করছে। পরে ওইদিন রাত থেকেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার বাবা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম পর্যায়েও তারেককে একবার তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কোনো মামলা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। তারেক যখন কোটা সংস্কারের পক্ষে আন্দোলন করছিল, পরিবারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। তখন আমি তাকে বলি, তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না, তাই তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেও না। তখন তারেক বলেছিল ‘চাকরির জন্য আন্দোলন করছি।’ তখন আমি বলি, ঠিক আছে, তোমরা আন্দোলন করলে সরকার মেনে নিলে আমার আপত্তি কেন? তারেক ঢাকায় আসার পর প্রথমে মধ্য বাড্ডায় বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা করছিলেন। তবে সেখানেও পুলিশ তার খোঁজ করছিল। পরে ওই বাসা ছেড়ে মেসে ওঠেন। সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারেকের বাবা বলেন, ‘আমরা কেউই রাজনীতি করি না। তবে আমাদের ছেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল বলে শুনেছি।’ তারেকের বৃদ্ধা মা বলেন, ‘আমার ছেলের সন্ধান চাই। একটাই চাওয়া, ছেলেটা যেন সুস্থভাবে আমাদের কাছে ফিরে আসে।’ তাদের ছেলের খোঁজ না পেয়ে গত রোববার রাতে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। কিন্তু তারেকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাস্থল ওই থানাধীন না হওয়ায় পরে তারা রাত সোয়া ১২টার দিকে শাহবাগ থানায় যান। সেখান থেকে তাদেরকে একদিন অপেক্ষা করতে বলে তারেকের নাম-ঠিকানা লিখে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।গত শনিবার থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মো. তারেক রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানায় তার পরিবার। কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত থাকায় তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।