ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বুকে বুক মিলিয়ে ভোট চাইছেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ নূর মোহাম্মদ মিয়া। Logo বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী শাহবাগ পূর্ব থানার উদ্যোগে শাপলা কলি মার্কার নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত। Logo ঢাকা-০৪ নির্বাচনী আসনের রাজপথে আজ জনতার ঢল! Logo জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে প্রার্থীকে হেনস্তা-হামলার অভিযোগ জেলা প্রতিনিধি | শরীয়তপুর | প্রকাশিত: ০৭:৪৪ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে প্রার্থীকে হেনস্তা-হামলার অভিযোগ শরীয়তপুরে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান চলাকালে সুপ্রিম পার্টির প্রার্থীকে হেনস্তা ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে শরীয়তপুর Logo সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ভাইয়ের সমর্থনে যাত্রাবাড়ী দক্ষিণ থানায় বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত Logo শরীয়তপুরের পালং ও জাঝিরার এম পি প্রার্থী অধ্যক্ষ মনির হোসেনের নির্বাচনী জনসংযোগ Logo ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে গণসংযোগকালে জামায়াত নেত্রীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo নির্বাচন Logo ঢাকা-৯ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাবেদ রাসিনের পক্ষে তৃণমূলের যৌথসভা Logo শরীয়তপুর-১ আসনের বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর মোহাম্মদ মিয়া

আমার রাজনীতি শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য: শেখ হাসিনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮
  • ৭৪৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার রাজনীতি দেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য। তাদের ভাগ্য যেদিন গড়তে পারবো, সেদিন নিজেকে স্বার্থক মনে করবো।’

শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবা সারাটা জীবন বাংলার মানুষকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছেন, তাদের জীবনে পরিবর্তন আনার, ক্ষুধার হাত থেকে মুক্ত করার, শোষণের হাত থেকে মুক্ত করার— সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নেই আমি কাজ করছি। আমার জীবনের এই একটাই লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘নানা ঘাত-প্রতিঘাত এসেছে। কিন্তু আমি একটা লক্ষ্য নিয়েই চলেছি— আমার বাবার স্বপ্ন আমাকে পূরণ করতেই হবে।’

বক্তৃতার শুরুতেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ মনিহার আমায় নাহি সাজে..।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমার সংবর্ধনার প্রয়োজন নেই। আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। জনগণ কতটুকু পেল সেটাই বড়। এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই আমার নেই।’

‘এই সংবর্ধনা আমি উৎসর্গ করছি বাংলার মানুষকে, উৎসর্গ করছি এদেশের জনগণকে’, বলেন তিনি।

দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই হয়ে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশের জনগণ কিছু পায়, দেশের উন্নয়ন হয়। ২১ বছর এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ‘৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই দেশের উন্নয়ন হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সেই বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। যুদ্ধাপরাধীদের সরকারের উচ্চ পদে চাকরি দিয়েছিল। আমরা ট্রাইব্যুনাল করে সেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছি। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কলুষমুক্ত হয়েছে। এই অপরাধীদের যখন আমরা বিচারের মুখোমুখি করতে পেরেছি তখনই যেন আমাদের উন্নয়নের দ্বার খুলে যায়— এটাই আমার উপলব্ধি।’

নৌকায় ভোট দিলেই দেশের উন্নয়ন হয় একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই দেশে দারিদ্র্যের হার ২২ ভাগে নেমে এসেছে। আমরা এটা আরও কমাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’

স্বল্পোন্নত থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ বিজয়, অস্ট্রেলিয়ায় গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ও ভারতের আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি অর্জন করায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

গণসংবর্ধনার শুরুতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রযুক্তি ব্যবহার করেও উন্নয়নের ভিডিওচিত্র অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির পক্ষ থেকে সরকারের অর্জন ও উন্নয়ন সংবলিত একটি প্রকাশনা সবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে একটি অভিনন্দনপত্র পড়ে শোনান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনতার ঢল নামে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশাল বিশাল মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এ উদ্যানে যোগ দেন। ক্ষমতাসীন দলের ব্যানারে আয়োজিত হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুকে বুক মিলিয়ে ভোট চাইছেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ নূর মোহাম্মদ মিয়া।

আমার রাজনীতি শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার রাজনীতি দেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য। তাদের ভাগ্য যেদিন গড়তে পারবো, সেদিন নিজেকে স্বার্থক মনে করবো।’

শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবা সারাটা জীবন বাংলার মানুষকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছেন, তাদের জীবনে পরিবর্তন আনার, ক্ষুধার হাত থেকে মুক্ত করার, শোষণের হাত থেকে মুক্ত করার— সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নেই আমি কাজ করছি। আমার জীবনের এই একটাই লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘নানা ঘাত-প্রতিঘাত এসেছে। কিন্তু আমি একটা লক্ষ্য নিয়েই চলেছি— আমার বাবার স্বপ্ন আমাকে পূরণ করতেই হবে।’

বক্তৃতার শুরুতেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ মনিহার আমায় নাহি সাজে..।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমার সংবর্ধনার প্রয়োজন নেই। আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। জনগণ কতটুকু পেল সেটাই বড়। এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই আমার নেই।’

‘এই সংবর্ধনা আমি উৎসর্গ করছি বাংলার মানুষকে, উৎসর্গ করছি এদেশের জনগণকে’, বলেন তিনি।

দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই হয়ে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশের জনগণ কিছু পায়, দেশের উন্নয়ন হয়। ২১ বছর এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ‘৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই দেশের উন্নয়ন হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সেই বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। যুদ্ধাপরাধীদের সরকারের উচ্চ পদে চাকরি দিয়েছিল। আমরা ট্রাইব্যুনাল করে সেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছি। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কলুষমুক্ত হয়েছে। এই অপরাধীদের যখন আমরা বিচারের মুখোমুখি করতে পেরেছি তখনই যেন আমাদের উন্নয়নের দ্বার খুলে যায়— এটাই আমার উপলব্ধি।’

নৌকায় ভোট দিলেই দেশের উন্নয়ন হয় একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই দেশে দারিদ্র্যের হার ২২ ভাগে নেমে এসেছে। আমরা এটা আরও কমাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’

স্বল্পোন্নত থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ বিজয়, অস্ট্রেলিয়ায় গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ও ভারতের আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি অর্জন করায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

গণসংবর্ধনার শুরুতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রযুক্তি ব্যবহার করেও উন্নয়নের ভিডিওচিত্র অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির পক্ষ থেকে সরকারের অর্জন ও উন্নয়ন সংবলিত একটি প্রকাশনা সবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে একটি অভিনন্দনপত্র পড়ে শোনান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনতার ঢল নামে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশাল বিশাল মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এ উদ্যানে যোগ দেন। ক্ষমতাসীন দলের ব্যানারে আয়োজিত হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।