সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধের ডাক Logo আনন্দ-উচ্ছ্বাসে দোহার স্বেচ্ছাসেবক দলের নৌকা ভ্রমণ Logo দখল-দূষণের খাল ফিরল প্রাণে, আন্তর্জাতিক পুরস্কার নারায়ণগঞ্জের Logo বগুড়ায় এসেনসিয়াল ড্রাগসে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন উৎপাদনের উদ্যোগ Logo স্বাস্থ্যসেবায় নতুন জোট: ইবনে সিনা–রমনা সমাজকল্যাণ সোসাইটির চুক্তি” Logo জুরাইনে জামায়াতের লিফলেট বিতরণ: ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে জনসম্পৃক্ততার আহ্বান Logo ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদাজিয়ার সমাধিতে এসেনসিয়াল ড্রাগস শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ সংসদের শ্রদ্ধা Logo তামাকের ছোবলে বছরে ২ লাখ অকালমৃত্যু Logo গুম-খুন ও জুলাইয়ে শহীদ-আহত পরিবারের ৭৪ জনের চাকরি Logo উত্তরণ ক্রীড়া সংসদের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী

সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রাহক হয়রানি শেষ কোথায় ? দুর্নীতির শীর্ষে ডিপিডিসি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮
  • ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
সেবা পেতে হলে দিতে হবে টাকা। ডিপিডিসর প্রতিটি ইট পর্যন্ত ঘুষ ছাড়া কিছুই বুঝেনা। এ ধরনের অভিযোগ ডিপিডিসর ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে। সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাংরোড অবস্থিত ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউটার কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি)র প্রকাশ্যে চলছে ঘুষ বানিজ্য। কেউ কেউ বলছে দুর্নীতির শীর্ষে ডিপিডিসি। নতুন বিদ্যুৎ এর সংযোগ আনতে লাগে মোটা অংকের ঘুষ। আবার যে কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অথবা সমস্যার সহযোগীতার চাইলে চাওয়া হয় ঘুষ। ডিপিডিসি কর্মকর্মাদের ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের গ্রাহকরা। গত কয়েকদিন আগে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির ইঞ্জিনিয়ার বশির এবং কম্পিটার অপারেটর সুজন বিশ্বাসের উপর ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তোলেন হিরাঝিল এলাকার বাসিন্দা ডাঃ নাজিম উদ্দিন। বিষয়টি গনমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। বেরিয়ে আসে থড়েল বিড়াল। একে একে আসতে শুরু করে ডিপিডিসির সেবার মান নিয়ে। গ্রাহকরা টাকা দিতে পারলে শুধু সেবা মেলে তাদের। নয় তোবা তাদের পোহাতে হয় বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার। এই হলো ডিপিডিসির কার্যকম। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে হরিরামের মত চলছে ডিপিডিসিতে লুটপাট। ডিপিডিসি এসব অসৎ কর্মকর্তারা মিলে মিশে দুর্নীতি করে কামিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। যেন দেখার মত কেউ নেই। সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাটারী চালিত অবৈধ অটোরিক্সার গ্যারেজে, মেল কল-কারখানাসহ অনেক খানে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে এসব অসাধু কর্মকর্তারা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয় গুলো নজরে না থাকায় ডিপিডিসর গ্রাহক সেবার মান দিনদিন কমতে শুরু করেছে। তবে উক্ত অভিযোগের বিষয়ে ডিপিডিসর কম্পিউটার অপারেটর সুজন বিশ^াস বলেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। আমি কাহারো কাছে কোন ধরনের টাকা চাইনি। ইঞ্জিনিয়ার বশিরের সাথে তার অফিসে দেখা করতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিপিডিসির এক স্টাফ বলেন, ইঞ্জিনিয়ার বশির দুপুর ২ টার আগে অফিসে আসেনা। উনার যখন খুশি উনি তখন অফিসে আসেন এবং প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারের টেবিলের ডোয়ারে গ্রাহকদের ফাইল আটকে রেখেছে তারা, চেক করলে নাকি যেসব গ্রাহকদের ফাইল পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির নির্বাহী প্রকোশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যদি আমার স্টাফ সুজন বিশ্বাস কোন গ্রাহকের কাছে অনৈতিক ভাবে টাকা চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং গ্রাহক ডাঃ নাজিম উদ্দিনকে তার সাথে দেখা করতে বলেন। ইঞ্জিনিয়ার বশির আহাম্মেদ অফিসে দেরিতে করে আসার বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন উনি দুপুর ২ টায় দিকে আসে এটা সঠিক নয়, তবে এটা ঠিক উনি একটু দেরিতে আসে। কারন আমাদের ফিঙ্গার মেশিন আছে কে কয়টা আসে সেটা আমাদের রেকর্ড আছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধের ডাক

সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রাহক হয়রানি শেষ কোথায় ? দুর্নীতির শীর্ষে ডিপিডিসি

আপডেট সময় : ১১:২৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
সেবা পেতে হলে দিতে হবে টাকা। ডিপিডিসর প্রতিটি ইট পর্যন্ত ঘুষ ছাড়া কিছুই বুঝেনা। এ ধরনের অভিযোগ ডিপিডিসর ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে। সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাংরোড অবস্থিত ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউটার কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি)র প্রকাশ্যে চলছে ঘুষ বানিজ্য। কেউ কেউ বলছে দুর্নীতির শীর্ষে ডিপিডিসি। নতুন বিদ্যুৎ এর সংযোগ আনতে লাগে মোটা অংকের ঘুষ। আবার যে কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অথবা সমস্যার সহযোগীতার চাইলে চাওয়া হয় ঘুষ। ডিপিডিসি কর্মকর্মাদের ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের গ্রাহকরা। গত কয়েকদিন আগে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির ইঞ্জিনিয়ার বশির এবং কম্পিটার অপারেটর সুজন বিশ্বাসের উপর ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তোলেন হিরাঝিল এলাকার বাসিন্দা ডাঃ নাজিম উদ্দিন। বিষয়টি গনমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। বেরিয়ে আসে থড়েল বিড়াল। একে একে আসতে শুরু করে ডিপিডিসির সেবার মান নিয়ে। গ্রাহকরা টাকা দিতে পারলে শুধু সেবা মেলে তাদের। নয় তোবা তাদের পোহাতে হয় বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার। এই হলো ডিপিডিসির কার্যকম। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে হরিরামের মত চলছে ডিপিডিসিতে লুটপাট। ডিপিডিসি এসব অসৎ কর্মকর্তারা মিলে মিশে দুর্নীতি করে কামিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। যেন দেখার মত কেউ নেই। সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাটারী চালিত অবৈধ অটোরিক্সার গ্যারেজে, মেল কল-কারখানাসহ অনেক খানে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে এসব অসাধু কর্মকর্তারা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয় গুলো নজরে না থাকায় ডিপিডিসর গ্রাহক সেবার মান দিনদিন কমতে শুরু করেছে। তবে উক্ত অভিযোগের বিষয়ে ডিপিডিসর কম্পিউটার অপারেটর সুজন বিশ^াস বলেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। আমি কাহারো কাছে কোন ধরনের টাকা চাইনি। ইঞ্জিনিয়ার বশিরের সাথে তার অফিসে দেখা করতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিপিডিসির এক স্টাফ বলেন, ইঞ্জিনিয়ার বশির দুপুর ২ টার আগে অফিসে আসেনা। উনার যখন খুশি উনি তখন অফিসে আসেন এবং প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারের টেবিলের ডোয়ারে গ্রাহকদের ফাইল আটকে রেখেছে তারা, চেক করলে নাকি যেসব গ্রাহকদের ফাইল পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির নির্বাহী প্রকোশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যদি আমার স্টাফ সুজন বিশ্বাস কোন গ্রাহকের কাছে অনৈতিক ভাবে টাকা চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং গ্রাহক ডাঃ নাজিম উদ্দিনকে তার সাথে দেখা করতে বলেন। ইঞ্জিনিয়ার বশির আহাম্মেদ অফিসে দেরিতে করে আসার বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন উনি দুপুর ২ টায় দিকে আসে এটা সঠিক নয়, তবে এটা ঠিক উনি একটু দেরিতে আসে। কারন আমাদের ফিঙ্গার মেশিন আছে কে কয়টা আসে সেটা আমাদের রেকর্ড আছে।