উত্তরায় বসবাসরত কৃষিবিদদের পারস্পরিক পরিচয়, সৌহার্দ্য, যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উত্তরা কৃষিবিদ কমিউনিটি’র মিলনমেলা। শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালে উত্তরার একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ফাল্গুনী রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ রেজা নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক ও উদ্যোক্তা কৃষিবিদ সালেহ মোহাম্মদ রশীদ অলকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষিবিদরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ ড. আবুল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অস্ট্রেলিয়া-প্রবাসী কৃষিবিদ সাইদুর রহমান জুলিয়াস, ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (IRRI) সাবেক চিফ অব পার্টি কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ফেলো কৃষিবিদ আমজাদ হোসেন পলাশ, কৃষি উদ্যোক্তা কৃষিবিদ এস. এ. এম. সানোয়ার হোসেন, কৃষি উদ্যোক্তা ও এমজে এগ্রোর স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ শাহেদুর রহমান সায়েম, কৃষি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ নাজমুল হোসেন সুইট, সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার কৃষিবিদ শাম্মী আক্তার, কর কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রাকিব হাসান, কৃষি উদ্যোক্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলামসহ কমিউনিটির সদস্যরা।
মিলনমেলায় কৃষি, চাকরি, ব্যবসা, গবেষণা, কৃষি উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও পেশাগত উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, উত্তরায় বসবাসরত অনেক কৃষিবিদের মধ্যে পেশাগত পরিচয় থাকলেও সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ হয়ে ওঠে না। নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে পারস্পরিক পরিচয়, যোগাযোগ, সহযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
সভায় ‘উত্তরা কৃষিবিদ কমিউনিটি’কে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করার পাশাপাশি উত্তরায় বসবাসরত আরও বেশি কৃষিবিদকে এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। অরাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সামাজিক, পেশাগত ও কৃষিবিষয়ক উদ্যোগে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
আলোচনা শেষে প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার সকালে প্রাতরাশের সময় নিয়মিত মাসিক মিলনমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে পরিচয়, যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে জানান আয়োজকরা।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা আয়োজনে ছিল প্রাণবন্ত আলোচনা, হাসি-আনন্দ ও সৌহার্দ্যের আবহ। অংশগ্রহণকারী কৃষিবিদরা দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, নিরাপদ ও টেকসই খাদ্য উৎপাদন, কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, গবেষণা ও প্রযুক্তির প্রসার এবং কৃষিবিদদের পেশাগত উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আয়োজকরা বলেন, ‘উত্তরা কৃষিবিদ কমিউনিটি’ শুধু পরিচয় ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির প্ল্যাটফর্ম নয়; দেশের কৃষি, কৃষিবিদ সমাজ এবং জাতীয় উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এটিকে একটি কার্যকর সামাজিক ও পেশাজীবী নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 















