সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আঃ কাঃ মোঃ আশরাফুজ্জামান নিয়োগ পেলেন Logo ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে আধুনিক এনডোস্কপি ও কোলনোস্কপি পরীক্ষা চালু Logo ফরিদগঞ্জে সমাজসেবক ও সাবেক গ্রাম সরকার মো. খাজে আহমাদ মিয়াজির ইন্তেকাল Logo চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান Logo ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যের আহ্বান: জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্কের টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনে যাচ্ছে ইডিসিএল Logo সুস্থ জীবন ও স্বাবলম্বিতার বার্তা নিয়ে “ন্যাচারাল ভারটেক্স”-এর কর্মশালা

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে দেশ নেত্রীর প্রতি জসীম উদ্দিনের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

এস.কে মাসুদ রানা: আজ ঐতিহাসিক ১৭মে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।১৯৮১সালের এ দিনে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ছয় বছর বিদেশে নির্বাসিত থাকার পর বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।বাংলাদেশের ইতিহাসে এদিনটি অতীব গুরুত্বপূর্র্ণ।তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে রচিত হয়েছিল সম্ভাবনার নতুন এক মহাকাব্য, অন্ধকারে নিমজ্জিত বাঙালি জাতির ভাগ্যাকাশে উদয় হয়েছিল এক নতুন সূর্যোদয়। ইতিহাসবিদরা যেমন বলছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না, ঠিক তেমনিভাবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদাপূর্ণ আসনে প্রতিষ্টিত হয়েছে। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল।
এ দিবস উপলক্ষ্যে তুক্ষর ও মেধাবী রাজ পথের লড়াকুর সৈনিক দক্ষ সাংগঠনিক সাবেক ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা তাঁতী লীগ একাংশের সভাপতি, জাতীয় ডিজিটাল সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি জসীম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান। জাতির ইতিহাসের এ বিষাদময় ঘটনার সময় বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে শেখ হাসিনা তার স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে কর্মস্থল জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে ভারত হয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।
দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ নেন তিনি। পাশাপাশি জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগ্রাম শুরু করেন। তার উদ্যোগে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দেয়।দেশবাসীও উজ্জীবিত হয় নতুন প্রেরণায়।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচার ও সামরিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে টানা আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখে। ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়সহ গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকবার গৃহবন্দি হয়েছেন শেখ হাসিনা। ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও তিনি ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ১১ মাস বিশেষ কারাগারে কারাবন্দি ছিলেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত চার মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। প্রথমবার ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ২৩ জুন সরকার গঠন করে এ দল। দ্বিতীয়বার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও মধ্যে দিয়েও ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করে তারা। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ভূমিধস জয়ের পর ৭ জানুয়ারি সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে পল্লীমা সংসদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ‘পল্লীমা গ্রীন স্বর্ণ পদক ২০২৫’ প্রদান

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে দেশ নেত্রীর প্রতি জসীম উদ্দিনের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

আপডেট সময় : ১০:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

এস.কে মাসুদ রানা: আজ ঐতিহাসিক ১৭মে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।১৯৮১সালের এ দিনে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ছয় বছর বিদেশে নির্বাসিত থাকার পর বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।বাংলাদেশের ইতিহাসে এদিনটি অতীব গুরুত্বপূর্র্ণ।তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে রচিত হয়েছিল সম্ভাবনার নতুন এক মহাকাব্য, অন্ধকারে নিমজ্জিত বাঙালি জাতির ভাগ্যাকাশে উদয় হয়েছিল এক নতুন সূর্যোদয়। ইতিহাসবিদরা যেমন বলছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না, ঠিক তেমনিভাবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদাপূর্ণ আসনে প্রতিষ্টিত হয়েছে। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল।
এ দিবস উপলক্ষ্যে তুক্ষর ও মেধাবী রাজ পথের লড়াকুর সৈনিক দক্ষ সাংগঠনিক সাবেক ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা তাঁতী লীগ একাংশের সভাপতি, জাতীয় ডিজিটাল সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি জসীম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান। জাতির ইতিহাসের এ বিষাদময় ঘটনার সময় বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে শেখ হাসিনা তার স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে কর্মস্থল জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে ভারত হয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।
দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ নেন তিনি। পাশাপাশি জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগ্রাম শুরু করেন। তার উদ্যোগে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দেয়।দেশবাসীও উজ্জীবিত হয় নতুন প্রেরণায়।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচার ও সামরিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে টানা আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখে। ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়সহ গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকবার গৃহবন্দি হয়েছেন শেখ হাসিনা। ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও তিনি ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ১১ মাস বিশেষ কারাগারে কারাবন্দি ছিলেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত চার মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। প্রথমবার ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ২৩ জুন সরকার গঠন করে এ দল। দ্বিতীয়বার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও মধ্যে দিয়েও ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করে তারা। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ভূমিধস জয়ের পর ৭ জানুয়ারি সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন আওয়ামী লীগ সভাপতি।