সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই Logo সিধুচী হিযবুল্লাহ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত Logo বরিশালে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাগনেসা লিডারশিপ কনফারেন্স Logo শিক্ষা উন্নয়নে নতুন দায়িত্বে ইসমাইল তালুকদার খোকন, প্রতিমন্ত্রী হাবিবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা Logo বর্ণমালা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি Logo মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মুগদায় বিক্ষোভ মিছিল; অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রো-ভিসিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, হিলবটম কলোনী Logo দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন দিগন্ত: ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর Logo মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এমপি মনোনীত

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

  • মেছবাহ উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসংখ্য হাফেজ গড়ার কারিগর হাফেজ মো. রুহুল আমিন আর নেই

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।