সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় মে মাসে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’: থাকছে ১২ সেশন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ Logo মুন্সীরহাট জি এন্ড এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo এসেনসিয়াল ড্রাগসে শ্রমিক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা Logo এসএমই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে উদ্যোক্তা সেবা গ্রহণে আহবান Logo মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দের সাথে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতৃবৃন্দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়সভা Logo পহেলা বৈশাখে এন.পি. মিনি ইংলিশ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ ১লা বৈশাখ, মঙ্গলবার “ বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ “ উদযাপন করতে যাচ্ছে Logo এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হলেন যারা Logo দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

  • মেছবাহ উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে বর্ষবরণ উৎসব সফল করায় সংশ্লিষ্টদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।